বিএনপি ২৩ আসনের সাংসদ প্রার্থী পরিবর্তন। নতুন আসনের প্রার্থী তালিকা দেখে নিন



আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে গত ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় সংসদের মোট ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭টিতে দলীয় প্রার্থীর সম্ভাব্য একটি তালিকা প্রকাশ করে। কিন্তু ওই তালিকায় নাম নেই দলটির অনেক হেভিওয়েট ও আলোচিত নেতার। এর মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, আসলাম চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ফারুক, আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবির, সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সিলেটের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হাই।

এরই মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ওই মনোনয়ন তালিকার অন্তত ২৩টিতে পরিবর্তন বা সংশোধন আনবে। ইতোমধ্যে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা উঠেছে, যারা এখনও মনোনয়ন পাননি তারা শেষ মুহূর্তের বিচারে মনোনয়ন পেলে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে অনেক বেগ পেতে হবে। একদিকে যারা মনোনয়ন পেয়ে মাঠে আছেন তাদেরকে কিভাবে ম্যানেজ করা হবে; অন্যদিকে যারা পুনর্বিবেচনায় মনোনয়ন পাবেন তারা মাঠ কিভাবে সামলাবেন? এর সার্বিক প্রভাব পড়তে পারে ভোটের ফলাফলে।

বিএনপি প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা গণমাধ্যমে বলেছেন, অনেক আসনে মনোনয়ন নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সাংগঠনিক শাস্তির ভয়ে মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা প্রকাশ্যে কঠোর কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখালেও ভেতরে ভেতরে ক্ষোভ-দুঃখে ফুঁসছেন। ইতোমধ্যে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ থেকে অন্তত সাত জেলায় বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ, সড়ক-রেলপথ অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ওই জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম, মাদারীপুর, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, চাঁদপুর, ময়মনসিংহ, নাটোর ও নওগাঁ। এর মধ্যে কয়েকটি জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ও আহত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে



Countdown Timer

00:01

Comments

Popular posts from this blog

অবশেষে রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত নাম ঘোষণা

নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

২০২৬ সালে উপজেলা ইউনিয়ন নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ