রয়টার্সের পূর্বাভাস: বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী যিনি

রয়টার্সের পূর্বাভাস: বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী যিনি







দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় পর নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে এক রাজকীয় পরিবেশে বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বখ্যাত বার্তাসংস্থা রয়টার্স তারেক রহমানকে নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছে, যা এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেন্দ্রবিন্দুতে।




রয়টার্সের বিশ্লেষণে তারেক রহমান কেন এগিয়ে? রয়টার্সের প্রতিবেদনে তারেক রহমানকে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে শক্তিশালী ও শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরার মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের একটি বিশাল ‘শো-ডাউন’ বা জনসমাবেশ করার লক্ষ্য নিয়েছিল, যা প্রমাণ করে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর ব্যাপক জনভিত্তি। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ক্ষমতার পালাবদলে বড় একটি মাইলফলক হতে পারেজরিপ ও নির্বাচনী পূর্বাভাস: কেবল আন্তর্জাতিক মিডিয়া নয়, ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট’ (আইআরআই) এর সাম্প্রতিক এক জরিপেও বিএনপিকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে। ওই জরিপ অনুযায়ী, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অধিকাংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করার পথে রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে থাকায় এবং জামায়াতে ইসলামীর সাথে বিএনপির ভোটের সমীকরণ দলটিকে অনেকটা ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গেছে।১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও স্থিতিশীলতার চ্যালেঞ্জড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দুই বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে এই নির্বাচনকে দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই মুহূর্তটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ’ বলে অভিহিত করেছেন।




জনসমুদ্রে তারেক রহমানের বার্তা: লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর প্রায় ৪০ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে ‘ এক জনসমুদ্রে ভাষণ দেন তারেক রহমান। তাঁর বক্তব্যে কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠেছে। মূলত মা বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিতেই ৬০ বছর বয়সী এই নেতা এখন রাজপথে সরব হয়েছেনতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও এনসিপির অবস্থান তারেক রহমানের ‘ প্রত্যাবর্তনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তরুণদের সংগঠন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)। তারা মনে করছে, তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রয়টার্সের এই শক্তিশালী পূর্বাভাস এবং তারেক রহমানের জনসম্পৃক্ততা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপির পালে বড় হাওয়া দিচ্ছে।..ন



Countdown Timer

00:01

Comments

Popular posts from this blog

অবশেষে রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত নাম ঘোষণা

নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

২০২৬ সালে উপজেলা ইউনিয়ন নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ