ছদ্মনামে পর্ণ সাইটে ইউএনও আলাউদ্দিন! ভিডিও ফাঁসের পর বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
ছদ্মনামে পর্ণ সাইটে ইউএনও আলাউদ্দিন! ভিডিও ফাঁসের পর বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
ছদ্মনামে পর্ণ সাইটে ইউএনও আলাউদ্দিন! ভিডিও ফাঁসের পর বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনের একাধিক আপত্তিকর ভিডিও পর্ণোগ্রাফি সাইটে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা ছদ্মনাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পর্ণ দুনিয়ায় বিচরণ করছিলেন। ঘটনার সত্যতা মেলায় তাকে ইতিমধ্যে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
যা ঘটেছিল:
গত সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইউএনও আলাউদ্দিনের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হয়। শুরুতে এটিকে কেবল একটি 'স্ক্যান্ডাল' মনে করা হলেও, পরবর্তীতে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে বিভিন্ন পর্ণোগ্রাফি ওয়েবসাইটে তার আরও অসংখ্য ভিডিও রয়েছে, যেখানে তিনি নিজের পরিচয় গোপন করে ভিন্ন ভিন্ন নামে ভিডিও আপলোড করতেন ।
তদন্তে উঠে আসা তথ্য:
বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি অনুযায়ী, আলাউদ্দিন কেবল একজন ব্যবহারকারীই ছিলেন না, বরং তিনি সুকৌশলে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিতেন । অভিযোগ রয়েছে, ভিডিও তৈরির সময় তিনি নিজের আসল পরিচয় গোপন রাখতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতেন। তবে ভিডিওর ডিটেইলস এবং চেহারার মিল থেকে শেষ রক্ষা হয়নি তার।
ইউএনও’র সাফাই ও পলায়ন:
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান ইউএনও মো. আলাউদ্দিন । মুঠোফোনে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি দাবি করেন, এসব ভিডিও সম্পূর্ণ 'ভুয়া' এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা 'এআই' (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার সম্মানহানি করতে তৈরি করা হয়েছে। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তদন্তে ভিডিওগুলোর সত্যতা পাওয়া যাওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ।
প্রশাসনের পদক্ষেপ:
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ইউএনও আলাউদ্দিন সোমবার সকালেই ছুটির আবেদন জমা দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন । এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
বর্তমানে এই ঘটনার জেরে কেবল হাতিয়া নয়, তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল সুনামগঞ্জেও ক্ষোভ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে । নেটিজেনরা প্রশাসনের এই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্তম্ভিত এবং তারা দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন ।
___________________________________________________________🥰সবকিছু সংগৃহীত 💔 _____________

Comments
Post a Comment